বৃক্ষ রোপন কর্মসুচী বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে ——মোস্তাকুর রহমান মফুর
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ১২:৫৩:১১,অপরাহ্ন ২৯ আগস্ট ২০১৯ | সংবাদটি ৪৪৯ বার পঠিত
জাগির হোসেন বালাগঞ্জ থেকেঃ
বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী মোঃ মোস্তাকুর রহমান মফুর বলেছেন, এরকম একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। বৃক্ষ রোপন কর্মসুচী বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আজকের এই ক্ষুদ্রবৃক্ষ আগামী দিন অর্থনৈতিক ভাবে,ব্যক্তি, সমাজ ও প্রতিষ্টানকে স্বাবলম্বী করে তুলবে। তাই আসুন সবাই নিজ নিজ উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন করে পরিবেশ রক্ষা করি। তিনি বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
তিনি গত২৮ আগষ্ট বালাগঞ্জ সরকারি ডিএনএ উচ্চ বিদ্যালয় ও বোয়ালজুড় উচ্চ বিদ্যালয়ে বালাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক অায়োজিত স্কুল পর্যায়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী সৌহার্দ্য এর শুভ উদ্ভোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
পৃথক দুটি অনুষ্টানের সভাপতিত্ব করেন বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুস সাকিব। অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বালাগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমন চন্দ্র দাশ, বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী অাতাউর রহমান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা মোঃ হেলাল উদ্দিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম, বোয়ালজুড় উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্বা আজিজুল কামাল, সাবেক সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক,বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেযারম্যান মোঃ আব্দুল মুনিম, সাবেক ইউপি চেযারম্যান এম এ মতিন, বালাগঞ্জ ডিএন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, বোয়ালজুড় উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার তালুকদার, উপজেলা আওযামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তা এম এ মালেক সহ সুধীজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ক্লাস টেনের শিক্ষার্থীরা ৬ষ্ট শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের হাতে ১ টি করে বৃক্ষ প্রদান করে। এবং বিদ্যালয় প্রাংগন গুলোতে বৃক্ষ রোপন করা হয়।
সৌহার্দ্য কর্মসূচী যেভাবে শুরু হয়।
এ প্রসংঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাঁর ফেসবুকে এরকম স্ট্যটার্স দেন।
বেশ কিছুদিন ভাবছি মৌসুম চলে যাচ্ছে বৃক্ষরোপন করা দরকার। উপজেলা পরিষদে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। কিভাবে কী করা যায়! নতুন কিছু করার পরিকল্পনা করলাম। ভাবলাম প্রতিবছর স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হয় এবং পুরাতনরা বিদায় নেয়। বিদায়ী শিক্ষার্থীরা স্কুলের জন্য কিছু শুভেচ্ছা স্মারক রেখে যেতে চায়। এতে তাদের কিছু অর্থ ব্যয়ে ও সম্মতি থাকে।
এমন একটা কিছু কী করা যায় যেটা প্রতিটি গাছের পেছনে একজন দায়িত্ববান মানুষকে সম্পৃক্ত করবে! এসি ল্যান্ড সুমনের সাথে বসলাম। কর্মসূচিটি ডিজাইন করলাম। বিদ্যালয়ের সিনিয়র যে বিদায় নিচ্ছে সে একটি গাছ উপহার দেবে সবচেয়ে জুনিয়র যে সদ্য ভর্তি হয়েছে তাকে। শিক্ষকদের সাথে কথা বললাম। উনারা রাজি। বাচ্চাদের সাথে কথা বললাম। তাদের উচ্ছাস বাঁধ ভাঙা।আমার টাকার দরকার হলো না।
আজ ২টি বিদ্যালয়ে উদ্বোধন হলো আমার সৌহার্দ্য কর্মসূচিটি। আগামী ১মাসে ২১টি মাধ্যমিক ও ৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০,০০০ গাছের চারা বিনিময় হবে। ১৫টি বিদ্যালয়ে ফুলের বাগান সৃজন করা হবে। আমি বলেছি আন্তরিকতা দরকার। কোন স্কুল না পারলে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ হতে সহায়তা করা হবে। একদিন বালাগঞ্জের মেঠো পথের দুপাশে থাকবে সবুজ বৃক্ষরাজি এতে আল্পনা আঁকবে লাল কৃষ্ণচূড়া যেখানে প্রতিটি গাছ একজন শিক্ষার্থীর শৈশবকে লালন করবে এমনটাই প্রত্যাশা।









