আনসার-ভিডিপি’র মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী বালাগঞ্জের রিমা বেগম
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ১১:২৫:২৩,অপরাহ্ন ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | সংবাদটি ৪০০ বার পঠিতবালাগঞ্জ প্রতিনিধি:
আনসার-ভিডিপি’র ১০ দিনের মৌলিক প্রশিক্ষণ ও ৭৫ দিনের সেলাই-বুটিক- প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন বালাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়নের মধুরাই গ্রামের মো. জমসেদ আলীর মেয়ে রিমা বেগম।
আলাপকালে রিমা বেগম জানান, ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি আনসার-ভিডিপি’র মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। মূলত সম্পুর্ণ বিনামূল্যে গ্রহণ করা এই প্রশিক্ষণ থেকেই তিনি অনুপ্রাণিত হন। এর কয়েকদিন পরেই আনসার-ভিডিপি’র উদ্যোগে সম্পুর্ণ বিনামূল্যে ঢাকায় ৭৫ দিনের সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন তিনি। প্রশিক্ষণের জন্য কোথাও একপয়সাও খরচ হয়নি বলে তিনি জানান। এই প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর গত ১ বছর যাবত তিনি দর্জির কাজ করে বেশ ভালো টাকা আয় করছেন।
রিমা বেগম বলেন, ৭৫ দিনের প্রশিক্ষণ সফল ভাবে সম্পন্ন করার পর আনসার-ভিডিপি কর্তৃক তাকে কর্মসংস্থানের জন্য একটি সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। গত প্রায় ১ বছর যাবত তিনি সেলাই মেশিন দিয়ে প্রতি মাসে গড়ে ৮-৯ হাজার টাকা অনায়াসে আয় করতে পারছেন। বর্তমানে তিনি তার আপন ছোট বোনকেও সেলাইয়ের কাজ শিখিয়েছেন।
২৫ বছর বয়সী তরুনী রিমা বেগম আনসার ভিডিপি কর্তৃক প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন স্বাবলম্বী।
সম্প্রতি তিনি তার এক বোনকেও তার আয়ের টাকাতেই বিবাহকার্য সম্পন্ন করেছেন।
তার ইচ্ছা- সুযোগ পেলে তিনি গ্রামের অল্প শিক্ষিত ও বেকার মেয়েদের ভালো ভাবে সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের নিজের পা’য়ে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেবেন। এ কাজ তার পক্ষে একা করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি। এর জন্য সমাজের বিত্তশালী মানুষের সহযোগীতা প্রয়োজন।
রিমা বেগমের প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তার চৌধুরী লিপু বলেন, আনসার-ভিডিপি’র এরকম প্রশিক্ষণের ফলে অনেক বেকার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তারই প্রমান রিমা বেগম। সে এখন নিজের পা’য়ে দাঁড়াতে শিখেছে। আমি আশা করি আনসার-ভিডিপি তাদের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচী’র ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে অনেক বেকার তরুন-তরুণী তাদের কর্মসংস্থানের পথ খোঁজে পাবে।
বালাগঞ্জ উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মো. রাশেল গাজী বলেন, আমি প্রথমে রিমা বেগমকে ১০ দিনের মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য বাছাই করি। সে অত্যন্ত দৃড়তার সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে। তারপর তাকে ঢাকায় প্রশিক্ষণে পাঠাই। তার এ সাফল্যের সহযাত্রী হতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।
রিমা বেগম বর্তমানে ডিগ্রী ফাইনাল ইয়ারে অধ্যয়নরত।









