এক রাতে ১৬ দোকান চুরি, মালামালসহ নগদ অর্থ লুটপাট

টাইম ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১০:৫৪:২৮,অপরাহ্ন ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | সংবাদটি ৩৫৬ বার পঠিতবিয়ানীবাজারে একরাতে ১৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রহস্যময় চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের বৈরাগীবাজার এবং তার পাশে অবস্থিত আব্দুল্লাহপুর বাজারে বৃহস্পতিবার দিবাগত শেষ রাতে এসব চুরির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ব্যবসায়ীদের তথ্যানুযায়ী সবকটি দোকানের তালা ভেঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকার মালামালসহ নগদ অর্থ লুটপাট করে নিয়ে যায় চোর চক্র। চুরির একটি দৃশ্য সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে, সেখানে সিসি ক্যামেরার ব্যাপারে আগে থেকেই চোরদের জানা থাকায় মুখ ঢেকে তারা চুরি সংঘটিত করে।
সরেজমিনে উপজেলার বৃহত্তর বাজার বৈরাগীবাজারে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বৈরাগীবাজারের কুড়ারবাজার রোডে অবস্থিত আহমদ ট্রেডার্স, সুবুর ট্রেডার্স, শাহপনার (ভূষি মালের দোকান), আব্দুর রহমান স্টোর, আসমা-উল হুসনা স্টোর, শাহারা ভেরাইটিজ স্টোর, কালারর্স (কাপড়ের দোকান), স্টাইল লফ্ট (কাপড়ের দোকান), মোহাম্মদ আলী এন্ড ব্রাদার্স, বুশরা ইলেক্ট্রনিকস, স্মাইল কম্পিউটার, স্কুল রোডে প্রতিক স্টোর সহ খশির আব্দুল্লাহপুরে স্কাই নেট, হাজী মাস্তাকিম আলী এন্ড সন্স, চা হোটেলের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
স্কাইনেটের মালিক মোহাম্মদ আনোয়ার জানান, তিনি খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখেন সাটারের তালা ও ক্যাশ ভাঙ্গা। দামী ক্যামেরা ও ল্যাপটপ না নিয়ে চোরেরা। কমদামী কিছু পণ্য নিয়ে যায় যা অনেকটাই রহস্যজনক।
আরেক ব্যবসায়ী জানান, দীর্ঘদিন বাজারে কমিটি না থাকায় নৈশ প্রহরীও ছিলেন না তাই এরকম ঘটনা ঘটেছে।
কুড়ারবাজার ইউপি চেয়ারম্যান এএফএম আবু তাহের বলেন, বৈরাগীবাজারে একই রাতে ১৬টি দোকান চুরির ঘটনায় আমি মর্মাহত। আমি অনেক দিন থেকে চেষ্টা করছি বাজারে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করার জন্য কিন্তু নানা কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবসায়ী সবাই সহনশীল হয়ে এগিয়ে না আসলে বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি করা কষ্টকর হবে, আমি আশা রাখবো বাজারের ব্যবসায়ীরা ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে সহযোগিতা করবেন।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ হিল্লোল রায় জানান, পুলিশ চোরচক্রকে ধরতে চেষ্টা চালাচ্ছে, টহল বাড়িয়েছে পুলিশ। তবে বিভিন্ন বাজারে নৈশ প্রহরী না থাকায় চোরেরা সহজেই চুরি করতে পারছে।









