ইউক্রেনে পরমাণু বোমা ব্যবহার করবে না রাশিয়া: পেসকভ
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ৪:১১:৫৯,অপরাহ্ন ২৯ মার্চ ২০২২ | সংবাদটি ২৪২ বার পঠিত
ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে না রাশিয়া। স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিলো রাশিয়া। সোমবার মার্কিন টেলিভিশন পিবিএস-এর একটি অনুষ্ঠানে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এ কথা জানান। তিনি বলেন, ইউক্রেনে চলমান অভিযানের কোনো পর্যায়েই রাশিয়া পরমাণু বোমা ব্যবহার করবে না। এদিকে রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার প্রেক্ষিতে মিসাইল উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ খবর দিয়েছে সিএনএন।
সাক্ষাৎকারে পেসকভ আরও বলেন, আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে একটি স্পষ্ট নীতি রয়েছে যেখানে বলা আছে কখন পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে রাশিয়া। কখনো যদি এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যাতে রাশিয়ার অস্তিত্ব হুমকিতে পড়বে, কেবল মাত্র তখনই এই অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। সাক্ষাৎকারে আরও বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা করেন পেসকভ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘কসাই’ বলে যে মন্তব্য করেছিলেন, তা নিয়ে জানতে চাওয়া হয় ক্রেমলিনের মুখপাত্রের কাছে। পেসকভ বলেন, এ ধরণের বক্তব্য বেশ উদ্বেগজনক। এর মাধ্যমে পুতিনকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে।
গত শনিবার পোল্যান্ডে এক বক্তব্যে বাইডেন ওই মন্তব্যটি করেন। তিনি বলেন, ফর গড সেক, পুতিন ক্ষমতায় থাকতে পারেন না। বিশ্ব গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ায় সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করছে কিনা সে প্রশ্নও ওঠে। বাইডেনের ওই বক্তব্য নিয়ে রাশিয়ার অবস্থানেরও ব্যাখ্যা দেন পেসকভ। এর সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কে হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তা নির্ধারণ করার কেউ না।
সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনে নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন পেসকভ। বলেন, সেনারা কোনো বাড়িতে হামলা করছে না, কোনো অ্যাপার্টমেন্টে হামলা করছে না।
বেসামরিক স্থাপনায় কোনো হামলাই হচ্ছে না। তারা শুধু সামরিক স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করছে। যদিও ইউক্রেন থেকে পালিয়ে আসা শরনার্থীরা পুরোপুরি উল্টো বক্তব্য দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, কীভাবে আবাসিক এলাকা রুশ হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। ইউক্রেনে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের বর্ণনাও তাই বলছে। আবাসিক ভবন, স্কুল এমনকি হাসপাতালেও রাশিয়ার হামলা চলেছে। এর ভিত্তিতে মার্কিন কর্মকর্তারা গত সপ্তাহে ঘোষণা করেন যে, ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধ করেছে রাশিয়া। এছাড়া হেগে’র আন্তর্জাতিক অপরাধী আদালতেও রাশিয়ার যুদ্ধাপরাধ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।








