সিলেটে বিভিন্ন স্থানে ওসমানীর মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

টাইম ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ৯:৪২:৫৮,অপরাহ্ন ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | সংবাদটি ৪৩৮ বার পঠিত
জাতীয় জনতা পার্টি:: জাতীয় জনতা পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে ১ সেপ্টেম্বর বাদ যোহর সিলেট হযরত শাহ জালাল (রহঃ) এর মাজার প্রাঙ্গনে ওসমানীর মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মাজার মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা জাতীয় জনতা পার্টির সভাপতি এডভোকেট আলহাজ্ব আব্দুল মতিন চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রফেসর আব্দুল মুহিত, জাতীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খান, সিলেট জেলা সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল মুনিম, ডা. মির্জা মোহাম্মদ রাজা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আকলিছ আহমদ চৌধুরী, মহানগর কমিটির সভাপতি সাবের সফকত জাহান চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, জেলা কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তৈয়ব আলী, ডা. ওয়াহিদ চৌধুরী, ফারুক আহমদ চৌধুরী, জাহিদ নুর প্রমুখ। এ দিকে জাতীয় জনতা পাটির্র প্রতিষ্ঠাতা মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ১০১ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় জনতা পার্টির বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে। ১ সেপ্টেম্বর ভোরে দলের জাতীয় কার্যালয় জনতা ভবনে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বিকেল ৩টায় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী হিরুর সভাপতিত্বে দপ্তর সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভুইয়ার পরিচালনায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম:: দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মকসুদ হোসেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, গণতন্ত্রের অন্যতম মানসপুত্র, তৃতীয় শক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবীর এম এ জি আতাউল গণি ওসমানীর ১০১তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্বে আমরা এক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তিনি ৭১’র মুক্তিযুদ্ধকে চৌকসভাবে পরিচালনা করে বিশ্বের জেনারেলদের ইতিহাসে অন্যতম এক জেনারেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। এক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ছাড়া তিনি কারো রক্তচক্ষুকে পরোয়া করেননি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গাদ্দার এবং মুনাফিকদেরকে কি ভাবে শায়েস্তা করতে হয় তিনি তা জানতেন। জাতির প্রতিটি দুর্যোগময় মুহুর্তে বটবৃক্ষের মতো জাতিকে আগলিয়ে রেখেছেন। রাজনীতিতে তিনি ছিলেন আপোষহীন ও সততার এক উজ্বল দৃষ্টান্ত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দাবীদার ক্ষমতাসীনদের শাসনামলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তিনি আজ উপেক্ষিত। অথচ ১৯৭৮ সালে তৎকালীন দুর্যোগময় মুহুর্তে জেনারেল জিয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এই বঙ্গবীর এম এ জি ওসমানীকে মনোনয়ন দিয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল তখন তো তাঁর প্রতি কোন আপত্তি ছিল না। দেশবাসীর জিজ্ঞাসা আজ কেন তিনি ক্ষমতাসীনদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। ১৫ই আগস্টকে কেন্দ্র করে ওসমানীকে খাটো করা হচ্ছে। ১৫ই আগস্টে মাস্টারমাইন্ড ফাঁটা কপাল জিয়াই জাতীয় রাজনীতিতে সকল অপকর্ম ও বিশৃঙ্খলার জন্ম দিয়েছেন। যার ফসল জাতি আজ ভোগতে হচ্ছে। বঙ্গবীর ওসমানী ১৯৭৩ সালে তৎকালীন সরকারের একদলীয় নীতি শাসনের প্রতি দ্বিমত পোষন করে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। তাঁর এই পদত্যাগ গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক মাইলফলক হিসেবে রয়েছে। আজ সাহস করে সত্য কথা বলা প্রয়োজন। স্বৈরাচার বলে কথিত সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদই বঙ্গবীর এম এ জি ওসমানীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনেক সম্মান করেছেন। সাফ কথা বঙ্গবীর এম এ জি ওসমানীকে নিয়ে কোন বিতর্ক চলতে পারে না। তাঁকে নিয়ে কুটুক্তি করা হলে বর্তমান প্রজন্মের জোয়ানরা দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে প্রস্তুত।
বঙ্গবীর এম এ জি ওসমানীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অত্র সংগঠনের উদ্যোগে গতকাল ১লা সেপ্টেম্বর রোববার হযরত শাহজালাল (রহ:) মাজারে বঙ্গবীর এম এ জি ওসমানীর মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ পূর্বক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এম এ লাহিন, কেন্দ্রীয় সদস্য কয়েছ আহমদ সাগর, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা সিলেট জেলা সমন্বয়কারী সৈয়দ আকরাম আল সাহান, দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আমীন তাহমীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব ইকবাল মুন্না, জাবেদুল ইসলাম দিদার, মুক্তাদির কিবরিয়া সিরাজী প্রমুখ।পরে বঙ্গবীর এম এ জি ওসমানীর কবরে সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করে এক বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরাম :: সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক মরহুম জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বঙ্গবীর ওসমানীর প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। দিবসটি পালন উপলক্ষে ফোরামের পক্ষ থেকে সকালে হযরত শাহজালাল (রহ:) এর মাজারস্থ সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এডভোকেটের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তাগণ বঙ্গবীর ওসমানীকে রাষ্ট্রভাবে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন, তাঁর জন্মদিবস ও মৃত্যু দিবস রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন এবং পাঠ্যপুস্তকে তাঁর জীবনী অন্তর্ভূক্ত করার দাবী জানান। এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এডভোকেট, ওসমানী যাদুঘরের সহকারী কিপার জিয়ারত হোসেন, গণদাবী ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমদ, সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, সাবেক কাউন্সিলর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, সেক্টরস কমান্ডার ফোরাম সিলেট বিভাগীয় সভাপতি সরোয়ার আহমদ চৌধুরী আবদাল এডভোকেট, ওসমানী স্মৃতি সংসদের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল, মমিনুর রহমান টিটো এডভোকেট, এন আই চৌধুরী মাসুম এডভোকেট, সমাজসেবী আব্দুল মালিক পুকন, গণদাবী ফোরাম কেন্দ্রীয় সদস্য শিক্ষক আব্দুল মালিক, কয়েছ আহমদ সাগর, আমীন তাহমীদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ধ্রুব গৌতম, মুক্তিযোদ্ধা সামছুল ইসলাম, ফারুক মিয়া, জুবের আহমদ প্রমুখ
বাংলাদেশ জাতীয় যুব উন্নয়ন পরিষদ :: সিলেট জেলা বারের এডিশনাল পিপি ও মহানগর আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট শামসুল ইসলাম বলেছেন, বাংলার গর্ব ও অহংকার, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানীর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে বঙ্গবীর ওসমানী যে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন, জাতির ইতিহাসে তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
১সেপ্টেম্বর দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয় যুব উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে এবং বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় ১০১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ একটি অভিজাত হোটেলের কনফারেন্স হলরুমে উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা আলহাজ্ব ডা. এম. এ. রকিবের সভাপতিত্বে ও সিলেট জেলা বারের বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট সুদীপ বৈদ্যের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব মনোরঞ্জন তালুকদার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের এর সহ-সভাপতি এম. এ. হান্নান, সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম ইছন মিয়া, সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনাথ প্রবাসী কল্যাণ সমিতি যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি আলহাজ্ব মনির আহমদ, বিএমবিএফ এর কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক রোটারিয়ান আসাদুজ্জামান, সিলেট জেলা সভাপতি রোটা: আশরাফুর রহমান চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সিলেট মহানগরের সভাপতি আবু ছালেহ মো. এহিয়া, পরিষদের সহ-সভাপতি হাকিম সাদুল্লাহ বাচ্চু, মো. বেলাল উদ্দিন, সুরঞ্জিত বর্মন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম চৌধুরী, পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট মো. সাজ্জাদুর রহমান, জাবেদ আহমদ, শফিকুর রহমান শফিক, আশিকুর রহমান রাব্বানী, জাহাঙ্গীর আলম, আনোয়ার হোসেন চৌধুরী মানিক, অধ্যাপক ফজলে রাব্বি, ইউসুফ সেলু, শিরীন চৌধুরী, মামুন চৌধুরী, কন্ঠশিল্পী তুহিন আহমদ, হেনা বেগম, সাহেদা বেগম, জুনেদ আহমদ, ডেনমার্ক প্রবাসী কমিউনিটি নেতা সরফ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা সৈয়দ মোতাহির আলী।
দক্ষিণ সুরমা যুব কল্যাণ পরিষদ:: মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি (এম.এ.জি) ওসমানীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে দক্ষিণ সুরমা যুব কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বাদ যোহর মরহুমের মাজার জিয়ারত ও বিকাল ৪টায় বর্ণাঢ্য জীবন নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ সুরমা যুব কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কামাল আহমদ তালুকদার বলেন, বাংলার ক্ষনজন্মা বীর পুরুষ বঙ্গবীর ওসমানীর নাম ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলতে মির্জাফর, ঘসেটি বেগমরা অনেক ষড়যন্ত্র করেছে। মুছবে কিভাবে, বাঙালী জাতির রক্তের সাথে মিশে থাকার নামই ওসমানী।
দক্ষিণ সুরমা যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ শাহ নুর এর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শাহিন তালুকদারের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন যুব সংগঠক আবুল কালাম আজাদ, মো. নুর মিয়া, আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর খান, সাংবাদিক শাহেদ আহমদ শান্ত, রাজন আহমদ, লাহিন তালুকদার, নাঈম রেজা তুহিন, সৈয়দ মাহির, ইমরান আহমদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামাল আহমদ তালুকদার আরো বলেন, কারও দয়া বা করুণায় বঙ্গবীর ওসমানীর ইতিহাস সৃষ্টি হয়নি। ওসমানীর ইতিহাস ওসমানী নিজেই। তাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। কোন সরকার বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করলো বা না করলো এর জন্য বাঙালি জাতি বসে থাকতে পারেনা। বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী আসলেই বাঙালি জাতির রক্তের সঞ্চালিত হয়। বঙ্গবীর ওসমানী মানেই বাংলাদেশ।









