বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নিজেই রুগী!
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ১০:৫৭:২৮,অপরাহ্ন ০৮ অক্টোবর ২০১৯ | সংবাদটি ৪৯৪ বার পঠিতলোকবল সংকট সহ বহুবিধ সমস্যায় জর্জরিত
আবুল কাশেম অফিক বালাগঞ্জ: বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
নানান সমস্যায় জর্জরিত লোকবল সংকট, জরাজীর্ণ ভবন, অকেজো মূল্যবান যন্ত্রপাতি, চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলাে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। সুদীর্দ ৫০ বছর পূর্বে নির্মিত হাসপাতালের ভবনগুলাে জরার্জীর্ণ হয়ে পড়েছে। হাসপাতালের রাস্তার অবস্থাও খু্বই করুন রোগীও যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ নিয়ে চলাফেরা করেন। দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা হয়েছে পুরনো এ্যাম্বুলেন্স যা দিন দিন ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। হাস্পাতালের আবাসিক ভবনও পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।
লোকবল সংকটের কারনে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অষত্নে আর অবহেলায় নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। অ্যানেস্থেশিয়া, সিজারিয়ান সেট, ইনকিউবেটর, স্পার্কিং মেশিন ও ডায়াখার্মিসহ অসংখ্য মূল্যবান যন্ত্রপাতি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট হওয়ার পর দুটি অ্যাম্বুলেন্সের দাবি রা হলেও ২০০৯ সালে নতুন একটি আম্বুলেন্স প্রদান দেয়া হয়। ২০০৪ সাল থেকে এক্স-রে মেশিন ও ২০০০ সাল থেকে জেনারেটরটি নষ্ট হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে বিহার সৃষ্টি হচ্ছে।
মেটারনিটি বিভাগটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের চিকিৎসাসেবা প্রদানও সম্ভব হচ্ছে না।
এদিকে, ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে লোকবল শুন্যতা, জরাজীর্ণ ভবন, রোগীদের দুটি ওয়ার্ডের ভিতরে বৃষ্টির পানি গড়িয়ে পড়া, প্রয়ােজনীয় জনবল অভাব, চিকিৎসকরা হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান নাকরা, পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহ না করা। ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও কাজ না ধরা সব মিলিয়ে নানাবিধ সমস্যা নিরসন ও চিকিৎসাসেবার সার্বিক মানােন্নয়নের করা অপরিহার্য্য হয়ে পড়েছে।
হাসপাতাল সুত্র থেকে জানা যায়, ১৯৮ টি পদের মধ্য ১২২ জন শুন্যপদ ৭৬ জন। এছাড়া ৬টি উপস্বাস্খ কেন্দ্রে ২৪ টি পদের মধ্য ১১ টি থাকলেও ১৩ টি পদ শুন্য। স্যাটেলাইট ক্লিনিকের ৩৭ টি পদের মধ্য ৩৩ টি ৪ টি শুন্য। ১৭ জন ডাক্তারের মধ্য আছেন মাত্র ৫ জন। ডেংগু রোগীর সনাক্ত করনের ২ টি কীট থাকলেও এখন পর্যন্ত কোন ডেংগু জ্বরের রোগী পাওয়া যায়নি। মমতা প্রকল্প হাসপাতালে প্রসুতি সেবা ও বেবীদের জন্য ফিডিং সেন্টার স্থাপন করেছে গত বছর। হাসপতালের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এস এম শাহরিয়ার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এক্সরে মেশিন নষ্ট, টন্সফরমার, প্রয়োজনীয় ডাক্তার সংকট, পরিত্যক্ত ভবন, নানান সমস্যায় হাসপাতালটি জর্জরিত। উর্ধতন কতৃপক্ষকে বিষয়টি লিখিতভাবে একাধিকবার অবগত করেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।









