বিশ্বনাথে আদালতের রায় উপেক্ষা করে দেয়াল নির্মাণ ও গাছ কাটার অভিযোগে
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ১২:১০:২৫,অপরাহ্ন ২৯ অক্টোবর ২০১৯ | সংবাদটি ৬১৯ বার পঠিত
পুলিশ সুপার বরাবরে ভুক্তভোগীর আবেদন
বিশ্বনাথ থেকে আনহার বিন সাইদ: বিশ্বনাথে মহামান্য আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ উপেক্ষা করে দেয়াল নির্মাণ ও গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী পরিবার সুবিচার চেয়ে সিলেট পুলিশ বরাবরে আবেদন করেছেন।
অভিযোগ পত্র থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালে বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের বাউল সম্রাট মরহুম শাহ আব্দুল করিম সাহেবের পীর বাবা (ইব্রাহীম শাহ এর) বাড়ী হিসেবে পরিচিত মৃত্যু আলমাস আলী ছেলে মোঃ জিতু মিয়া,দুদু মিয়ার তাদের সৎ ভাই (মোঃ মোহন মিয়ার মালিকানাধীন বসতবাড়ীর) বিরুদ্ধে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল, সিলেট আদালতে ১৯৯৮/২০১৫ নং ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল মামলা করেন।
দরখাস্তকারী মোঃ মোহন মিয়া
উক্ত বাড়ীতে ক্রয়/ওয়ারিশ সূত্রে মালিক ভােগ দখল করে আসছেন।
এই ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল এর মাননীয় যুগা জেলা জজ আদালত, সিলেট স্বাক্ষী প্রমাণাদিসহ শুনানী শেষে গত ৮মে ২০১৯ইং তারিখে (দরখাস্তকারী) মোঃ মোহন মিয়ার পক্ষে রায় দেন।
মাননীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালত, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল, সিলেট এর প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে। মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগে ৬৬৩০/২০১৯ নং রীট মামলা উপরােক্ত ২য় পক্ষগণ (জিতু মিয়া, দুদু মিয়া) দায়ের করেন। দায়েরকৃত রীট মােকদ্দমাটি মাননীয় বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও মাননীয় বিচারপতি মােহাম্মদ আলী মহােদয়ের দ্বৈত বেঞ্চে গত ২৩/০৫/২০১৯ তারিখে যুগ্ম জেলা জজ, ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইবুনাল, সিলেট এর রায়ের উপর তিন মাসের জন্য স্থিতাবস্থার আদেশ দেন।
কিন্তু, নালিশী ভূমির উপর মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্থিতাবস্থার আদেশ থাকা সত্ত্বেও জিতু মিয়া, দুদু মিয়া (২য় পক্ষগণ) দেয়াল নির্মাণ করেছেন। যা আদালতের আদেশ অবমাননার শামিল।
দরখাস্তে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বেশ পুরানাে বয়সী চাউলের গাছ (মূল্যবান গাঠের গাছ) কর্তন করে দেয়াল নির্মাণ করা সহ তার (মোঃ মোহন মিয়ার) মা-বােন ও পরিবার পরিজনের টয়লেটের ব্যবস্থাও বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
এছাড়া প্রতিদিন রাত ৮ টায় বাড়ীতে প্রবেশ করার প্রধান গেইট তালাবদ্ধ করে আমাদেরকে চলাফেরার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি
করা, ও তাকে ও তার পরিবারের লোকজনকে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করা করে আসছেন। ফলে সে ও মা বােন ও পরিবার পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
দরখাস্তে আরো উল্লেখ করেন, তার মালিকানাধীন ভূমির পুকুরপাড়ে তার দুই বােনের কবরের উপরে একটি
ঘর নির্মাণ করে সে ঘরে অর্ধেকে গরু রাখার স্থান করেছে এবং বাকি অংশের ঘরে মদ গাজাসহ নানান অসামাজিক কার্যকলাপ করে আসছে।
যা স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, স্থানীয় কিছু সংখ্যক প্রভাবশালীদের সহযােগিতায় ঐতিহ্যবাহী পীর দাদা ইব্রাহীম শাহ ওরশ অনুষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে মাজারে বিভিন্ন ব্যক্তিগণের মানতকৃত টাকা পয়সা একক ভাবে ভােগ দখল করে যাচ্ছেন এবং বিশাল টাকার মালিক হয়েছে।
তিনি তার মা-বােনের ও পরিবার পরিজনের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তার সুব্যবস্থা করার জন্য আইনশৃংখলা বাহিনী সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।









