বিলাল আহমদ চৌঃ”র বোনের মৃত্যুর পোষ্ট শোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ১:৩৩:০২,অপরাহ্ন ২৭ এপ্রিল ২০২০ | সংবাদটি ৪৯৮ বার পঠিত
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি:
হাসপাতালে গিয়েও চিকিৎসা পাচ্ছেনা অসুস্থ মানুষজন রাস্তায় গাড়িতে হচ্ছে মৃত্য
সরকারী বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় গাড়িতে মারা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ।কোন হাসপাতালে/ক্লিনিকে গেলে রোগীদের ভর্তি বিড়ম্বনায় পড়তে হয় ছুটে চলা এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে শেষমেস ভর্তি না করতে পারায় বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু শুনতাম।কিন্তু এখন দেখলাম বাস্তব প্রমান নিজের ই পরবিবারে ছোট্ট এক বোন এই বিড়ম্ভনায় পরে ইন্তেকাল করলেন এবং নিজেকে আজ অপরাধি মনে হচ্ছে।
শুনুন বিস্তারিত….
রাতে মেজো আপার প্রসব বেদনা শুরু রাত ৩ টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করলে তাঁরা অপারেশনের কথা আমাদের জানায়। ভোর ৬ টার ভিতরে ব্লাড মেনেজ করতে বলে কর্তৃপক্ষ।
লকডাউন উপেক্ষা করে দুরের গ্রাম থেকে ভোর ৬ টার আগেই ব্লাড দিতে হাজির হন প্রিয় সাদিক, রুহুল, সয়েফ আর আনোয়ার ভাইরা।
কিন্তু তারা অজানা এক অজুহাতে ৬ টার আগেই প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে জেতে বলে।
সবাই মিলে সকাল ৯ টা পর্যন্ত প্রাইভেট ক্লিনিক নিরাময়> পার্ক ভিউ > উইমেন্স > রাগিব-রাবেয়ায় দৌড়াতে থাকি।
কিন্তু কোথাও আমরা চিকিৎসা পাইনি।
এমনকি রাগিব রাবেয়ায় করোনা রোগী বলে তাড়িয়ে দিয়েছিল।
যা হোক, রাত ১ টা থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত অবিরত ব্লিডিং হওয়া একটা প্রেগন্যান্ট রোগী চিকিৎসা ছাড়া কিভাবে বাঁচবে?
অবশেষে আপার পেটে বাচ্চা সহ দু’জনই প্রচন্ড অভিমানে চলে গেলো নিষ্ঠুর এই দুনিয়া ছেড়ে… ‘
উপরের কথাগুলো বোন হারানো চাচাত ছোট ভাইয়ের বেদনাভরা স্ট্যাটাস। প্রসব বেদনায় ছটফট করা এক মায়ের আর্তনাদে একটুও মায়া লাগেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।
ওসমানী মেডিকেল না হয় বুঝলাম সরকারি হাসপাতাল, কিন্তু রাগিব রাবেয়া প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোর কি হল। যারা সারা বছের কসাইখানার মত ৬৫%ডেলিভারি করে ব্যবসার জন্য।কোনো টেস্ট ছাড়াই করোনা বলে তাড়িয়ে দিলেন কিভাবে?
দেশব্যাপী করোনাকালীন সময়ে চিকিৎসকদের আত্মত্যাগের যে দৃষ্টান্ত আমরা গর্বের সাথে দখি তার সাথে সিলেটের এই ঘটনা খুবই বেমানান। ক’দিন আগেও ডাক্তার মইনুদ্দীনের ত্যাগের যে উদাহরণ দেখি তিনিও কিন্তু সিলেটেই থাকতেন।
ইসলামী সমাজ বিনির্মানের নিরলস কর্মী বিলাল আহমদ চৌধুরী নিজের অনেক পরিচিত ডাক্তারের প্রাইভেট ক্লিনিকে নিজের বোনের চিকিৎসা করতে পারেননি!
সিলেটের ক্লিনিক নিয়ে প্রায়ই এরকম নিউজ পাওয়া যায়। ক্লিনিকের মালিক, কর্তৃপক্ষ হলেই কসাই হয়ে যেতে হবে, মানবতা ভুলে যেতে হবে টাকার কাছে বিভেক কে বিক্রি করে দিতে হবে এ কেমন কথা?
অফিস আদালত খুললে আইনগত উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারেন সিলেটের যে কেউ। তাতে অন্তত আর কোনো প্রসূতি মা ও পেটের ভিতরের শিশু এভাবে যেনো মারা যেতে না পারে।
হজরত শাহজালাল মুজাররাদে ইয়ামনি রহ, এর উত্তরাধিকার সিলেটের মাটিতে এ ধরনের ঘটনাগুলো কেমন যেনো বেমানান।









