সিলেট থেকে নিখোঁজ হওয়া নববধূ কিশোরগঞ্জ থেকে উদ্ধার

টাইম ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১:০১:২৮,অপরাহ্ন ২৬ জুলাই ২০২০ | সংবাদটি ৪৩২ বার পঠিতসিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়া নববধূ কোহিনুর আক্তার আশাকে (২১) কিশোরগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় তাকে অপহরণের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিখোঁজের ১৫দিন পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোররাতে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সতেরধরিয়া থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। কোহিনুর বিশ্বনাথ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের নৈশপ্রহরি রমজান মিয়া বড় মেয়ে। আর অপহরণের অভিযোগে প্রেপ্তার শাওন মিয়া (২২) কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সতেরধরিয়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।
উদ্ধারের পর শুক্রবার বিকেলে শাওনকে আদলতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আর কোহিনুরকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।
গত ৫ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে আলমগীর হোসেন নামের এক নিকটাত্মীয়ের কাছে কোহিনুরকে বিয়ে দেন রমজান মিয়া। গত ১৯ জুন ওই স্বামীসহ বিশ্বনাথে বাবার বাসায় আসেন কোহিনুর। এরপর গত ৯ জুলাই সকালে বাবার বাসা থেকে নিখোঁজ হন তিনি। পরদিন ১০ জুলাই বিশ্বনাথ থানায় মেয়ে হারানোর সাধারণ ডায়েরী করেন বাবা রমজান মিয়া।
এদিকে সাধারণ ডায়েরির পর গত ১১ জুলাই রুজিনা আক্তার নামে সমবায় অফিসের অফিস সহায়ক রজমান মিয়ার বাসায় গিয়ে কোহিনুরকে উদ্ধার করা যাবে বলে জানান। তারপর সিআইডি ও ডিবি পুলিশের কথা বলে রমজান মিয়ার কাছ থেকে তিনি ১৩হাজার টাকা নেন। আরও দু’দিন পর রুজিনা রমজান মিয়াকে বলেন, কোহিনুরকে উদ্ধার করতে হলে র্যাবকে ৫লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। এতে রমজান অপারগতা জানালে রুজিনা রমজানের জামাতা আলমগীরকে ফোনে ধমক দেন এবং তাকে অপহরণের হুমকি দেন। মেয়েকে অপহরণ ও র্যাবের নামে মুক্তিপণ চাওয়া এবং জামাতাকে অপহরণের হুমকি দেওয়ায় রমজান মিয়া রোজিনা ও তার ছোটভাইকে আসামি করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং ১৫)। মামলার প্রেক্ষিতে গত ২০ জুলাই গ্রেপ্তারে পর রুজিনা আক্তার (৩০) ও তার ছোটভাই রাজিব সরকারকে (২৫) ২১জুলাই জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফজলুল হক বলেন, মোবাইলের সূত্রধরে কিশোরগঞ্জের কমিরগঞ্জ থেকে অপহরকসহ নিখোঁজ কোহিনুরকে উদ্ধার করা হয়েছে।









