ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সমাজকর্মী জামালের চিকিৎসায় মানবিক সাহায্যের হাত প্রসারিত করার আহবান
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ৪:৪১:৫৫,অপরাহ্ন ২০ মে ২০২২ | সংবাদটি ৪৭৩ বার পঠিত
স্টাফ রিপোর্টার : জামাল আহমদ একজন সমাজকর্মী ও ফটোগ্রাফার। সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার গুয়াবাড়ির বাসিন্দা। বীর মুক্তিযোদ্ধা হরমুজহ আলী সন্তান। টগবগে এই তরুণ আকস্মিক ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ। ছেলের চিকিৎসার জন্য সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার।
জামাল বর্তমানে ঢাকা মগবাজারের ডা.সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সজ্ঞাহীন অব¯’ায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কিছুদির আগেও হাসিখুশি প্রাণবন্ত ছিলেন জামাল। সমাজসেবা পরিবারের নিষ্টাবান কর্মী হিসেবে অত্যন্ত প্রিয়ভাজন ছিলেন জামাল। তিনি একজন ভাল ফটোগ্রাফার। কিন্তু হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে সিটি স্ক্যান করে ব্রেইন টিউমারের কথা জানান ডাক্তাররা। তারপর থেকে পুরো পরিবারে নেমে আসে অন্ধকারের ছাপ।
ওসমানী হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসার জাহানারা বেগম জানান,জামাল চাকুরি করেন সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত সিলেট নগরীর রায়নগরের সরকারি শিশু পরিবারে (বালিকা) তিনি একজন চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী । তার বাবা মহান মুক্তিযুদ্ধের অংশ গ্রহণকারী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু সহায় সম্পদ নাই তাঁর। ভর্তির পর থেকে জামালকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।
প্রায় ১মাস অতিবাহিত হলেও এখনো কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তার পরিবার। এদিকে সিলেট জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিবাস রঞ্জন দাশ এই প্রতিবেদককে জানান, জামালের অবস্থার কোন উন্নতি না হওয়ায় তাকে সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে । শনিবার এখানে ভর্তির সম্ভাবনা রয়েছে। জামালের পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরিবারের অবস্থাও সচ্ছল নয়। তার জন্য প্রতিদিন বিশ থেকে ত্রিশ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এই টাকা যোগাড় করতেও পরিবারকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যার কারণে তার অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।
হাসপাতালের সিট ভাড়া,ওষুধ, দৈনন্দিন খরচসহ আরও কয়েক লাখ টাকার প্রয়োজন। এত টাকা যোগাড় করার মতো অবস্থা নেই জামালের। বাড়িতে ঘর-ভিটা ছাড়া আর কোনো জমিও নেই। তাই জামালের পরিবার উপায়ান্তর না পেয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। সহযোগিতার জন্য মোবাইল (বিকাশ) ০১৭১১-৩৮৯৩৯৬, ০১৭১০-৪৪৭৪৭৫ ও ০১৭৬৭-৪৯৫৭৭৬। এদিকে ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান জামালের চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এমপি,প্রবাসী ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপিসহ সমাজের বিত্তবানদের মানবিক কারণে সাহায্যের হাত প্রসারিত করার আহŸান জানিয়েছেন সিলেট বধির সংঘের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এম আহমদ আলী।
সাংবাদিক গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে
বি.এম.এ মহাসচিব ডা.দুলালের
শোক প্রকাশ
প্রতিথযশা লেখক, কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের (বি.এম.এ) মহাসচিব ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল।
এক শোক বার্তায় ডা. দুলাল বলেন, মহান ভাষা আন্দোলন নিয়ে কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তের রাঙানো একুশে ফেব্রæয়ারি, আমি কি ভূলিতে পারি’গানটি আব্দুল গাফফার চৌধুরীকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। মহান ভাষা আন্দোলন নিয়ে তার রচিত এ গানটি যেভাবে সমাদৃত হয়েছে আর কোনো গান ততটা সমাদৃত হয়নি। মহান স্বাধীনতা রক্ষায় এবং আওয়ামী লীগের দুর্বিপাকে তার ক্ষুরদার লেখনি আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে উৎসাহ সৃষ্টি করতো। তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লালিত চেতনায় বিশ্বাসী। তিনি যেমন স্পষ্টবাদী ছিলেন,তেমনি ছিলেন সততার এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
তার ক্ষুরদার লেখনির মাধ্যমে বাংলা ও বাঙালীর মধ্যে উজ্জীবনা সৃষ্টি করতো। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলা ও বাঙালীর বড় ধরণের ক্ষতি হয়ে গেলো। বাংলাদেশের মানুষ আজীবন তার শূণ্যতা অনুভব করবে। আব্দুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে দেশের যে ক্ষতি হয়ে গেলো, তা অপূরণীয়।
ডা.ইহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি ও শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।-বিজ্ঞপ্তি









