গনধোলাই শিকার সিলেট ২ আসনের এমপি
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ৮:১২:৩০,অপরাহ্ন ১২ মার্চ ২০২২ | সংবাদটি ৪০২ বার পঠিতগনধোলাই শিকার সিলেট ২ আসনের এমপি মোকাবিবর খান।
এদিকে কাউন্সিলকে ঘিরে গণফোরামের বিবাদমান দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংগঠনটির একটি অংশের কাউন্সিল আয়োজনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ এসে একপক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে বের করে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
গণফোরামের কাউন্সিলকে ঘিরে শনিবার সকাল থেকে দলটির বিদ্যমান দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর একটি অংশ জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে কাউন্সিলের আয়োজন করে। মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নেতৃত্বাধীন অপরাংশ প্রেস ক্লাবের সামনে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মোকাব্বিরদের অভিযোগ, সকাল ১০টার দিকে ড. কামাল হোসেনের অংশের গণফোরাম কাউন্সিলের জন্য যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন অপরাংশের নেতাকর্মীরা প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকে কাউন্সিলে হামলা করে। তারা চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে। ঘটনার উভয় অংশের সিনিয়র নেতা ড. কামাল হোসেন কিংবা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সুব্রত চোধুরী কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
হামলার বিষয়ে মোকাব্বির খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মোস্তফা মহসীন মন্টুর ইন্ধনে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কাউন্সিলের আয়োজন করেছি। এটা পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি। কিন্তু কিছু দুষ্কৃতকারী কাউন্সিলে হামলা করে আমাকেসহ আরও অনেককে আহত করেছে। এটা গণতন্ত্রের ওপর হামলা। গণফোরাম থেকে বহিস্কৃতরা এ হামলা চালিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা মহসীন মন্টু গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরীর উল্টো অভিযোগ করে বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাদের মানববন্ধনে মোকাব্বিরের লোকেরা হামলা করে। বিষয়টি নিয়ে মোকাব্বির খানের কাউন্সিল স্থলে গিয়ে জানতে চাইলে ঝামেলা বাধে।
সুব্রত বলেন, তারা আমাদের মানববন্ধনে কেন হামলা করেছে সেটা জানতে গেলে তখন কিছু একটা হয়ে থাকতে পারে। তবে আমি সেখানে ছিলাম না। বিস্তারিত বলতে পারব না।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার এ কাউন্সিলকে অবৈধ ঘোষণা করে মোস্তফা মহসীন মন্টুর নেতৃত্বাধীন গণফোরাম।









