একনেকে ৬ প্রকল্প অনুমোদন, বাড়ল ফায়ার সার্ভিসে বরাদ্দ

টাইম ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ৮:৪২:৩৮,অপরাহ্ন ০৫ নভেম্বর ২০১৯ | সংবাদটি ৫০৯ বার পঠিতজাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর একটি ‘দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সদর বা স্থানে ১৫৬টি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন’ প্রথম, সংশোধিত প্রকল্পের অনুমোদনও রয়েছে। সংশোধিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত ছয়টি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২ হাজার ২ কোটি ৩৫ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৪৭২ কোটি ৩০ লাখ টাকা জোগান দেওয়া হবে। খবর বাসসের।
সভায় শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন মূলত উপজেলা শহরগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। ফলে এখানে জনবসতিও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব স্থানের অবকাঠামো ও জনগণের জানমাল বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের গুরুত্ব অনেক।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নিরাপদ দেশ গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক উপজেলায় কমপক্ষে একটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে ‘দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সদর বা স্থানে ১৫৬টি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন’ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মূল এই প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আজকের একনেক সভায় সংশোধিত প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার একনেকে অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পগুলো হলো সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। লাঙ্গলবন্দ মহাষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসবের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১২০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ভোলার মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে মনপুরা উপজেলাধীন রাম নেওয়াজ লঞ্চঘাট এলাকা এবং তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন থেকে চরফ্যাশন উপজেলাধীন ঘোষেরহাট লঞ্চঘাট এলাকা রক্ষা প্রকল্প—এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, গাজীপুরের অ্যাপ্রোচ সড়ক প্রশস্তকরণ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প—এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৩২ লাখ টাকা। গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প—এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫৯ কোটি ২ লাখ টাকা।









