সিলেটে ধর্ষিত সোনাভানের লাশ মিললো পুকুরে
টাইম সিলেট ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ৪:৫৮:৩১,অপরাহ্ন ০৮ জুলাই ২০২১ | সংবাদটি ২৯২ বার পঠিতক’দিন ধরে গ্রাম সালিশে ধর্ষণের ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা চালানো হচ্ছিলো। এ নিয়ে হয়েছে কয়েক দফা বৈঠক। এরই মধ্যে গতকাল বিকালে বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরের একটি পুকুরে মিললো ধর্ষিত ওই মহিলার মরদেহ। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হেমু দাউদপাড়া গ্রামে গতকাল বিকালে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানিয়েছে, হেমু দাউদপাড়া গ্রামে বিধবা মহিলা সোনাভান বেগম (৬৫) ছাগল চড়াতে স্থানীয় হাওরে গিয়েছিলেন। এরপর একদিন নিখোঁজ ছিলেন সোনাভান।
এরপর বাড়িতে ফিরে তাকে আটক রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ইউসুফ আলীর ছেলে আবুল কালামের (৩৫) বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন। এ ঘটনায় পরবর্তীতে জৈন্তাপুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় সম্প্রতি জৈন্তাপুর থানা পুলিশ আদালতে ধর্ষণের ঘটনায় চার্জশিট দাখিল করেছে। বিষয়টি জানার পর গ্রাম্য সালিশে নিষ্পত্তির চেষ্টা শুরু হয়। গত এক সপ্তাহ ধরে এ নিয়ে গ্রামে বৈঠক হচ্ছিলো। গতকাল বুধবার সকালেও এ নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে ধর্ষিতা মহিলাকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিনিময়ে মামলা তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু ওই মহিলা নিখোঁজ থাকায় গ্রাম্য সালিশে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। ওই মহিলার স্বজনরা জানিয়েছেন, সালিশ বৈঠকের আয়োজনের ফাঁকেই গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে নিখোঁজ হন সোনাভান বেগম। ভোরে উঠে স্বজনরা তার খোঁজ না পেয়ে গ্রাম সহ আশপাশ এলাকায় খোঁজ করেন। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। গতকাল বিকালে গ্রামের লোকজন সোনাভানের মরদেহ বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরের একটি পুকুরে দেখতে পান। খবর পেয়ে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। জৈন্তাপুর থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, ধর্ষণের ঘটনা সঠিক ছিল। এ ছাড়া মেডিকেল রিপোর্টে এর সত্যতা পাওয়ায় মামলার চার্জশিট দেয়া হয়েছিলো। ওই মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি কী তা তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে।









